Header Ads

Mysterious activities can occur in Bangladesh, bloodshed incident! রহস্যজনক তৎপরতা শুরু বাংলাদেশে, ঘটে যেতে পারে রক্তারক্তি ঘটনা !









The Bangladesh cantonment has become hot in the absence of some officers of the army officers with Chief Justice SK Sinha in the ongoing complexity of the government. Anytime, the case of blood donation can happen. Long-time deprived and oppressed army officers got bogged down. Hundreds of service and retired officers are ready.

In the context of the ongoing political crisis in the country's foreign affairs, rumors of the collapse of the current government of liberation have emerged as a tranquil for the Hasina, while Gori (BA-2890) of Ninth Infantry Division Major General Akbar Hossain. Took more 3/4 generals. They have stayed in Dhaka for the last three weeks. Meet people with important people, even threatening threats. Chief Justice SK Sinha entered the house and failed to work with the threat of showing arms, Akbar retreated and retreated. Recently lost abductions of Akbar's work DGFI is doing this with some of its own people as a former boss. However, if there is any casualty, then the danger of the danger and the agency's mischief, the current DG Saiful Concerned and distraught, the company's current command of the GOs of different divisions is inevitable and inadequate. With the army chief talking about this.

It is learned that Akbar has done these stubborn acts as directed by Sheikh Hasina. Senior junior officers have expressed excitement in such a way that a GOC has broken the rules and regulations of the Army Act. Some people think Akbar is about to stop the attack. Although Akbar is not a GOC, he can not carry out these movements without the full scope and security of his army, so he has to move in his own secret system, private security. In this situation, he can be the target of the opponent.

Even though General Akbar calls almost everywhere, "General Ershad has turned his head around by eating one slap. It is a month of admission in CMH. After that, I made a free election. However, I will do this again. "Despite this, Akbar said in his personal interaction with the people of his Khatir, that the government did not have any protection. So the Highways will have to try. But the way they are tied up with everything, the government may not have traveled. Especially when the United States, EU, and the United Nations want the government to change, democracy should come back in the country. After Pranab Mukherjee's departure, Sheikh Hasina is not getting support from Delhi too. If that is the case of success in the current government, then Akbar is making an effort to keep a close contact with the persons involved in this connection. Even an attempt to create a London connection with the BNP has been caught by Counter Intelligence. As a result, the companions of Akbar are somewhat irritated and skeptical about him.

In this way, he remembered the officer known as 'Akbaira' for 13 long Batchmates, thus, he was a scam type person from BMA. Serious action is not possible with him, but at the end of the end who are in danger. After eating a lemon juice, taking blood out of the lemon, taking out the blood, and eating the digestion while eating cigarettes, then after killing an untouchable family with a Bangladeshi Bangladeshi mercenary family, after killing him, the case of killing him, from 013 to 17 Akbar is the direct commander of thousands of political kidnappings and disappearances. Prime minister Sheikh Hasina has placed a GOC of Savar division in March last year. DGFI was the head of Brigadier from 2013 to February this year. Akbar's batchmates said that General Akbar had already trafficked a lot of money in the bank, where he bought more hotels and motel business in Patay Beach. But for a long time the aggrieved people say that many accounts are left with Akbar. He can not escape if he wants.

Hasina's Security Advisor retired general Tariq Siddiqui led the Akbar Group's boss. All the conspiracies were made at the official residence of the Staff Road of the General Tarek Dhaka Cantonment. The General, who is associated with Tariq Siddiqui, is Akbar, DG NSI, Mr. J. Shams, Mr. J. Masud Razzak, Dhaka, Brigadier Sayek, Engineering Brigade commander of Dhaka, MJJ Walker, Sheikh Hasina's Fifat Dulabai, on the occasion of his daughter's marriage. A source said, Tariq Siddiqui himself is in tension, at any time the government may fall. In such a situation, the danger has kept a road to flee abroad before it becomes a necklace, said the well-wishers.



প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সাথে সরকারের চলমান জটিলতায় সেনাবাহিনীর কয়েকজন অফিসারের অবাঞ্ছিত তৎপরতায় সেনানিবাস উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে রক্তারক্তির ঘটনা। দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ও অত্যাচারিত সেনা অফিসারররা ফুঁসে উঠেছে। শতাধিক সার্ভিং ও রিটায়ার্ড অফিসাররা তৈরী হয়ে আছেন।
চলমান রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশী বিদেশী তৎপরতায় বর্তমান বিনাভোটের সরকার পতনের গুজব যখন চারিদিকে, এরি মাঝে হাসিনার জন্য ত্রানকর্তা হিসাবে উদয় হয়েছেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি (বিএ-২৮৯০) মেজর জেনারেল আকবর হোসেন। সাথে নিয়েছেন আরো ৩/৪ জেনারেল। এরা অলিখিত ছুটি নিয়ে ঢাকা অবস্থান করছে গত তিন সপ্তাহ। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা, এমনকি হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বাড়িতে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দিয়ে কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে কিছুটা পিছু হটে অন্তরালে গিয়ে তৎপরতরা অব্যাহত রেখেছেন আকবর। সাম্প্রতি গুম অপহরনগুলি আকবরের কীর্তি। ডিজিএফআই সাবেক বস হিসাবে তার কিছু নিজস্ব লোকদের দিয়ে এসব করাচ্ছে। তবে এতে কোনো ক্যাজুয়াল্টি হলে উল্টা বিপদ ও সংস্থার দুর্নামের আশংকাও করছে বর্তমান ডিজি সাইফুল। ভিন্ন ডিভিশনের জিওসির এহেন খবরদারী ও অপতৎপরতা নিয়ে সংস্থাটির বর্তমান কমান্ড চিন্তিত ও বিচলিত। এ নিয়ে কথা বলেছেন সেনাপ্রধানের সাথে।
জানা গেছে, শেখ হাসিনার নির্দেশেই আকবর এসব হঠকারী কাজগুলি করছেন। নিয়ম শৃঙ্খলা ও আর্মি অ্যাক্ট ভেঙ্গে একজন জিওসির এহেন কর্মকান্ডে সিনিয়র জুনিয়র অফিসাররা উষ্মা প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ আকবরকে বলপ্রয়োগ থামানোর কথা ভাবছেন। আকবর জিওসি হলেও তার বাহিনীর পুরো সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা নিয়ে বাইরে এসব মুভমেন্ট করতে পারছে না, তাই তাকে চলাচল করতে হচ্ছে গোপনে নিজস্ব ব্যবস্থায়, প্রাইভেট সিকিউরিটি নিয়ে। এহেন পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের লক্ষবস্তুও হতে পারেন তিনি।
যদিও জেনারেল আকবর প্রায় সব যায়গায় বলে বেড়ায়, “আমার এক থাপ্পড় খেয়ে জেনারেল এরশাদ মাথা ঘুরে পড়ে গেছে। সিএমএইচে ভর্তি থাকে মাস খানেক। এরপরে বিনাভোটে ইলেকশন করে ফেললাম। ব্যস, এবারও তাই করব।” তা সত্ত্বেও তার খাতিরের লোকদের সাথে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় আকবর বলেছে, সরকার পরে গেলে কিন্তু আর রক্ষা নাই। তাই হাইয়েস্ট চেষ্টা করতে হবে। তবে ওরা সবকিছু নিয়ে যেভাবে আটঘাট বেঁধে নেমেছে, তাতে এ যাত্রা সরকার নাও থাকতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ই্ইউ, এবং ইউএন যখন চাচ্ছে সরকার পরিবর্তন হোক, দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসুক। প্রণব মুখার্জি চলে যাওয়ার পরে দিল্লি থেকেও আর সেই সাপোর্ট পাচ্ছে না শেখ হাসিনা। সে কারনে সরকার বদলের চলমান প্রকৃয়া যদি সফল হয়ে যায়, তবে এর সাথে যুক্ত নেপথ্যে ব্যক্তিবর্গের সাথে গোপনে যোগাযোগ রক্ষার একটি চেষ্টাও করছেন আকবর। এমনকি বিএনপির সাথে লন্ডন কানেকশন সৃষ্টির একটি চেষ্টাও কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের কাছে ধরা পড়েছে। যার ফলে আকবরের সঙ্গি সাথীরাও তাকে নিয়ে কিছুটা বিচলিত এবং সন্দেহের চোখে দেখছেন।
১৩ লংয়ের ব্যাচমেটদের কাছে ‘আকবইর্যা’ হিসাবে পরিচিত এই অফিসারটিকে স্মরণ করেন এভাবে, বিএমএ থেকেই সে ছিল ফাঁকিবাজ টাইপের লোক। তাকে দিয়ে সিরিয়াস কোনো কাজ সম্ভব নয়, বরং তার সাথে যারা আছে শেষে তারা বিপদে পড়বে। বিএমএতে থাকতে বগলে রসুন দিয়ে জ্বর তোলা, ঠোট কামড়ে রক্ত বের করে অফ নেয়া, নিষেধ থাকলেও সিগারেট খেতে গিয়ে পানিশমেন্ট খাওয়া, পরে চীনে কোর্স করতে গিয়ে বাংলাদেশী এক বনেদি পরিবারের মেয়ের সাথে অঘোষিত সংসার করার পরে তাকে মেরে ফেলার ঘটনা, ২০১৩ সাল থেকে ১৭ সাল অবধি হাজার হাজার রাজনৈতিক অপহরন ও গুম হত্যার সরাসরি নির্দেশদাতা হলেন এই আকবর। আকবরকে গত মার্চে সাভার ডিভিশনের জিওসি করে বসায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্রিগেডিয়ার অবস্থায় ডিজিএফআইর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব ছিলেন ২০১৩ থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি অবধি। আকবরের ব্যাচমেটরা জানান জেনারেল আকবর ইতোমেধ্যে ব্যাংককে প্রচুর টাকা পাচার করেছেন, সেখানকার পাতায়া বীচে একাধিক হোটেল ও মোটেল ব্যবসা কিনেছেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন ধরে সংক্ষুব্ধরা বলছেন, আকবরের সাথে অনেক হিসাব বাকী। চাইলেই সে পালিয়ে যেতে পারবে না।
আকবর গ্রুপের বস হিসাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল তারিক সিদ্দিকী। জেনারেল তারেক ঢাকা সেনানিবাসের স্টাফ রোডের সরকারী বাসাতে সকল ষড়যন্ত্র হয়। তারিক সিদ্দিকীর সাথে যেসব জেনারেল জড়িত তারা হলেন আকবর, ডিজি এনএসআই মেঃ জেঃ শামস, মেঃ জেঃ মাসুদ রাজ্জাক তার মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে ঢাকায়, মেঃজেঃ ওয়াকার (শেখ হাসিনার ফুফাত দুলাভাই), ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড কমান্ডর ব্রিগেডিয়ার শায়েখ। একটি সূত্র জানায়, তারিক সিদ্দিকী নিজেও টেনশনে আছে, যে কোনো সময়ে সরকারের পতন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিপদ ঘাড়ে পড়ার আগেই বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার একটি রাস্তা চালু রেখেছেন বলে জানিয়েছেন শুভাকাঙ্খিরা।

Source:http://www.rarenews24.com/archives/50

No comments