Header Ads

The right to Talaq has been given to All-E-Qur'an, All-E-Shariah দাবি সিদ্দিকুল্লার







The right to Talaq has been given to All-E-Qur'an, All-E-Shariah. In November last year, after the public interest litigation was filed in the Supreme Court demanding closure of three divorces, Jameyat Ulemae Hind, in Jamati, gathered in Calcutta. Jamiat's rally was held on the stage after the abolition of divorce system and the initiative to introduce uniform civil code in the country, two important ministers of the state Partha Chatterjee and Farhad Hakim Jamiat president Siddiqulla Chowdhury in Bengal is now a member of the state cabinet. He was also on stage. Standing on that stage, Parthabu said, "Let me decide whether my wife will be with me or not. There is a constitution and above all to judge it. "It is clear in the statement that the Chief Minister of the state, Trinamool Congress General Secretary Partha Chattopadhyay, is in favor of the three divorces rule. At this time, after the Supreme Court declaring divorce system unconstitutional, the Trinamool Congress is still silent. But Siddiqulla Chowdhury, the state president of the state minister of the state Lt. Jamiat Ulemae Hind, was silent. Asked whether the Supreme Court has the right to grant such verdict, Siddiqulla has also asked the question.
 
After the verdict of the Supreme Court, the Library Minister said, "I do not know the Supreme Court judges have no right to defy divorce. In 1937, the British government recognized the Shariat Act. When the law was enacted after the independence of India in 1950, the law of sharia was still recognized. Now, 83 years later, the Supreme Court foiled after one stroke, saying that the Supreme Court has no right to this right. All rights have been given to All-E-Qur'an, All-E-Shariah.Trinamool Congress minister is thinking of any movement against this verdict? Siddiqulla Chowdhury said that Jamaat's meeting will be held on Wednesday. The next step will be fixed there. He said, "We organize All India. Tomorrow will be the meeting. The final decision will be made in that meeting. If someone misuses the rule, then he can be tried. It we believe in But it is necessary to know whether the Supreme Court has given the constitution to foil the divorce. "What is the statement of Trinamool Congress? Replying to this question, one of the main minority faces of the Mamata cabinet Siddiqulla Chowdhury said, "I do not know what the Trinamool Congress will say on this. I am not the grassroots Congress spokesperson. I'm the minister to fix it. I'm the president of the zamiyat. That's right, I am a member of Central Jamiat. What I said, I am speaking with responsibility. "




তালাক অধিকার অল-ই-কোরান, অল-ই-শরিয়তি দিয়েছে। গত নভেম্বর মাসে তিন তালাক প্রথা বন্ধের দাবিতে, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হওয়ার পরে কলকাতায় সমাবেশ করে জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ। তালাক প্রথা বিলোপ এবং দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার উদ্যোগের বিরোধিতা করে জমিয়তের সমাবেশ মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। বাংলায় জমিয়তের সভাপতি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীও এখন রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য। তিনিও ছিলেন মঞ্চে। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়েই পার্থবাবু বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে থাকবেন কি না, তা আমাকেই ঠিক করতে দিন। এর বিচার করার জন্য সংবিধান আর উপরওয়ালা আছে।’’
রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যেই পরিষ্কার যে, শাসকদল তিন তালাক নিয়মের পক্ষে। এ বার সুপ্রিম কোর্ট তালাক প্রথাকে অসাংবিধানিক বলে দেওয়ার পরে এখনও পর্যন্ত চুপ তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু চুপ নন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ-এর রাজ্য সভাপতি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। এমন রায় দেওয়ার অধিকার সুপ্রিম কোর্টের আদৌ রয়েছে কিনা সেই প্রশ্নও তুলেছেন সিদ্দিকুল্লা।
 সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরে গ্রন্থাগার মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার জানা নেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের তালাক নস্যাৎ করার অধিকার আছে না নেই। ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ সরকার শরিয়ত আইনকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে যখন আইন প্রনয়ণ হয় ১৯৫০ সালে, তখনও শরিয়ত আইনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এখন রাতারাতি ৮৩ বছর পরে এক ধাক্কায় সুপ্রিম কোর্ট নস্যাৎ করে দিলাম বলবে, এই অধিকার সুপ্রিম কোর্টের নেই। এই অধিকার অল-ই-কোরান, অল-ই-শরিয়তি দিয়েছে।’
এই রায়ের বিরুদ্ধে কি কোনও আন্দোলনের কথা ভাবছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী? সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী জানান, বুধবার এ নিয়ে জামায়েতের বৈঠক হবে। সেখানেই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হবে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা অল ইন্ডিয়া সংগঠন করি। আগামী কাল বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। কেউ যদি নিয়মের অপব্যবহার করে তবে তার বিচার করা যেতে পারে। এটা আমরা মানি। কিন্তু তালাক নস্যাৎ করে দেওয়ার অধিকার সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধান দিয়েছে কিনা সেটা জানা দরকার।’’
এ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্যও কি এক? এই প্রশ্নের উত্তরে মমতা মন্ত্রিসভার অন্যতম প্রধান সংখ্যালঘু মুখ সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, ‘‘আমি জানি না তৃণমূল কংগ্রেস এ নিয়ে কী বলবে। আমি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র নই। আমি মন্ত্রী এটা ঠিক। আমি জমিয়তের সভপতি এটা ঠিক, আমি সেন্ট্রাল জমিয়তের সদস্য এটা ঠিক। আমি যেটা বললাম সেটা দায়িত্ব নিয়েই বলছি।’’

No comments