Header Ads

দেখুন : রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর

  





মালদার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

 

 

মালদার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি। ফুলহার নদীর জল কিছুটা কমলেও ব্যাপক হারে বাড়ছে মহানন্দা গঙ্গা টাঙন পূর্নভবা নদীর জল।  পূর্নভবার জলে প্লাবিত হয়েছে হবিবপুর বামনগোলার বিস্তৃর্ণ এলাকা। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ডুবে গিয়েছে বি এস এফের ৬টি বিওপি। এগুলি হল খুটাদহ, পান্নাপুর, জেজেপুর, টিকিয়া পাড়া কেদারীপাড়া ও আগ্রা হরিশ্চন্দ্রপুর। ডুবে গিয়েছে আর্ন্তজাতিক সীমান্তের কাঁটা তার। ফলে কার্যত উন্মুক্ত হয়ে গেছে সীমান্ত। রয়েছে অনুপ্রবেশের আশঙ্খা। এই পরিস্থিতে স্পিড বোটে কখনো একবুক জলে নেমে সীমান্ত পাহাড়া দিতে হচ্ছে বি এস এফ জাওয়ানদের। সবচেয়ে বেশী সমস্যা দেখা দিয়েছে রাত্রিবেলা। যেভাবে রাত্রিবেলা নদীগুলির জল বাড়ছে। তাতে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্খা রয়েছে।


দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর ক্ষমা চাওয়া উচিত রাজ্যের মন্ত্রীদের


 দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর ক্ষমা চাওয়া উচিত রাজ্যের মন্ত্রীদের। তিন তালাক ইস্যুতে এ রাজ্যের মন্ত্রীরা সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিলেন। ভোট ব্যাঙ্কের দিকে তাকিয়েই তৃনমুলের নেতারা তিন তালাকের পক্ষে কথা বলেছিলেন বলে জানালেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চ্যাটার্জি। মঙ্গলবার আদালতের রায়ের পর তাদের জনসমক্ষে ভুল স্বীকার করার দাবি তোলেন তিনি। তিন তালাক নিয়ে সুর্প্রীম কোর্টের এই রায , ইতিহাস বলে জানালেন তিনি। পাশাপাশি মুসলিম মহিলাদের একাংশ আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। 

 

 দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের পর স্বস্তিতে মুসলিম মহিলাদের একাংশ। আগামী ছয মাসের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার আইন প্রণয়ন করবে। তারপরেই মুসলিম মহিলারা পাকাপাকি ভাবে তিন তালাকের প্রথা থেকে মুক্তি পাবেন বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন , তিন তালাক ইস্যুতে রাজ্যের মন্ত্রীদের রাজনীতির একটি ইস্যু হারালেন। এবার অন্তত তারা তিন তালাক ইস্যুতে রাজ্যের মুসলিম মহিলাদের কাছে ক্ষমা চাক।

 

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরেই নতুন অক্সিজেন রাজ্য বিজেপি মহিলা মোর্চার কাছে। রাজ্য বিজেপি অফিসেই দলের মহিলা মোর্চার মুসলিম সদস্যদের নিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চ্যাটার্জি।

 

 

 বিশ্ব বরেণ্য মনীষী আচার্য রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর ১৫৪ তম জন্মদিন পালিত হল কান্দির বিভিন্ন জায়গায়


মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দিতে উদযাপিত হল বিশ্ব বরেণ্য মনীষী আচার্য রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর ১৫৪ তম জন্মদিন। সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় প্রভাতফেরি হয়। বিভিন্ন স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। কান্দি পৌরসভা ও কান্দি রেডক্রস সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর মুর্তিতে মাল্যদান করেন। তবে অনেকের আক্ষেপ যে রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর জন্মদিনের জাঁকজমকে যেন দিন দিন ভাটা পড়েছে। তাকে নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে পড়ুয়াদের আরো সচেতনত করা উচিত। এই বাংলায় তার কি অবদান অনেকের কাছে এখনও অজানা। যেখানে রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন " তোমার হৃদয় সুন্দর, তোমার বাক্য সুন্দর, তোমার হাস্য সুন্দর, হে রামেন্দ্র সুন্দর " সেই বিশ্ব বরেণ্য মনীষী আচার্য্য রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী মহাশয়কে হয়ত কান্দির মানুষ ভুলতে বসেছে।

 

 

বন্ধ হয়ে গেল ভদ্রেশ্বরের চাঁপদানির নর্থব্রুক জুটমিল

 

 

শ্রমিক অসন্তোষের জেরে ফের বন্ধ হয়ে গেল ভদ্রেশ্বরের চাঁপদানির নর্থব্রুক জুটমিল। আজ সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে মিলের গেটে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস দেখতে পান। কারখানা বন্ধের জেরে পুজোর মুখে প্রায় পাঁচহাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়লেন। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মিলের বাইরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মিলের সেলাই বিভাগের এক কর্মীকে কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া নিয়ে। যা নিয়ে অন্য শ্রমিকদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছিল অসন্তোষ। গতকাল নাইট শিফটে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। অশান্তি এড়াতে আজ সকালে মিল কর্তৃপক্ষ মিলের গেটে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস ঝুলিয়ে দেয়। সকালে কাজে যোগ দিতে এসে কাজ বন্ধের নোটিস দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাকি শ্রমিকরা।তাঁদের অভিযোগ, মিল কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে মিথ্যা অভিযোগ তুলে শ্রমিকদের কাজ থেকে বসিয়ে দেয়। প্রতিবাদ করলেই মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অনৈতিক কাজ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। মিলে উৎপাদন কম হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে শ্রমিকদের বাড়তি কাজ করিয়ে নেওয়া হয়। অতিরিক্ত টাকা দেওয় হয় নাউল্লেখ্য, ২০১৪ সালে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে এই মিলে পিটিয়ে খুন করা হয় ম্যানেজার হরেকৃষ্ণ মাহেশ্বরীকে। প্রায় তিনমাস মিল বন্ধ থাকে। পরে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের পরে সমস্যার সমাধান হয়।

আজ সেই আশঙ্কাতেই আগেভাগেই মিল বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মোতায়েন করা হয় পুলিশ। সূত্রের খবর, মিল খোলার বিষয়ে চন্দননগরে ডেপুটি লেবার কমিশনের দপ্তরে এক ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।

 

 

  ন মাসের মেয়ে ও স্ত্রীর উপর নির্যাতন

 

 

 

 ন মাসের মেয়ে ও স্ত্রীর উপর নির্যাতন করে বদ্ধ করে তালা মেরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠলো স্বামী ও শ্বশুরবাড়ীর বিরুদ্ধে।ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড় থানার জোগারডাঙ্গা অাসাড়গ্রামের।২০০৯ সালে চন্দ্রকোনা থানার বাচকা গ্রামের মেয়ের বিয়ে হয় আসাড়গ্রামের বাসিন্দা সত্যকিঙ্কর পালের ছোট ছেলে শান্তনু পালের।অভিযোগ বিয়ের তিনমাস পর থেকেই নানা অছিলায় স্বামী,শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি ছন্দা পাল মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালাতো।সোমবার অত্যাচারের মাত্রা ছাড়ায়।স্বামী নির্মম অত্যাচার করে মা ও নয় মাসের মেয়ের উপর।তার একটি রুমে মা ও মেয়েকে সকাল থেকে আটকে রাখা হয় তালা মেরে।কোনও খাবার পর্যন্ত খেতে দেওয়া হয়নি বলে নির্যাতিতা গৃহবধুর অভিযোগ।এমন পাশবিক অত্যাচারের কাহিনী বলতে গিয়ে নির্যাতিতা তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের বিরুদ্ধে কখনও পণের টাকা চাওয়া,আবার বাপের বাড়ি থেকে স্বামীর মর্জি মতো টাকা এনে দেওয়া এসবই নিত্যদিনের ঘটনাছিল বলে জানান নির্যাতিতা গৃহবধূ।এছারাও অকারনে স্বামীর সন্দেহের শিকার নির্য়াতিতা।লোকলজ্জার ভয়ে এতোদিন সব সহ্য করলেও, আর সইতে না পেরে সোমবারই স্বামী, শ্বশুর,শ্বাশুড়ী র বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ। বাপের বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে মেয়ে ও তার নয় মাসের সন্তানকে উদ্ধার করে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন।ঘটনায় অভিযুক্তের কটরতম শাস্তির দাবি নির্য়াতিতা ও তার বাপের বাড়ির লোকের।ঘটনায় গেয়ালতোড় থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।



হাসপাতালে প্রবীর ঘোষাল

 

 

শ্রীরামপুর ওয়ালসে নব নির্মিত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে এলেন রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল।দীর্ঘদিন ধরে শ্রীরামপুর এর এই হাসপাতালে রুগীর সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে সেভাবে হাসপাতালের পরিকাঠামো না থাকায় সমস্যায় পড়ছিল রুগীরা।গত 2 বছর আগে হুগলী তে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী জানায় শ্রীরামপুর এর এই হাসপাতাল কে সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল করার ঘোষণা করেন।তার পর থেকেই নতুন হসপিটাল  এর কাজ চলছে দ্রুততার সাথে।যেটা খাতিয়ে দেখে বিধায়ক জানান আগামী 15 অক্টোবর থেকেই শুরু হবে বাহির্বিভাগ এ আসা রুগীদের চিকিৎসা।এই হাসপাতাল সম্পূর্ণ হলে শুধু শ্রীরামপুর মহকুমা নয় জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা রুগীরা উপকৃত হবে।


No comments