Header Ads

Several political parties have appealed to maintain harmony উত্তর বঙ্গের দিনহাটা ও রায়গঞ্জের অশান্তির ঘটনায় সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন জানাল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল







After Saturday night's communal tension in Dinajpur's Marnia area, the Trinamool Congress organized a peace procession led by MLA Udayan Guha. In this procession, people of both Hindu and Muslim communities came to the rescue. All of them call for peaceful peace in the area. After this peace procession some areas of the area have become normal. Meanwhile, huge police force has been deployed to prevent any unrest in the area.On Saturday evening, people of the area noticed several bones and flesh on the side of the Morna Bazar street. Tensions spread afterwards. Locals blocked the road demanding the arrest of the accused in this incident. Later, the police of Sahebganj police came to the people and took the obstacle out of the people. After the situation was cold, the miscreants tried to vandalize several houses in the area at night. Then the situation grew. Later, more police forces went and calm the situation. This morning, lawmaker Udayan Guha went to the area. He urged the people of two communities to abstain from any provocation and brought out a peace procession in the area. The people of both communities meet the rally. After the procession, it was a little too late in the area. On this day, Udayan Guha said that police investigating the plot and trying to disturb the peaceful environment of the area is investigating the police. To keep away from all the provocations, he gave his blessings to the people of the area.



On the other hand Several political parties called on the temple, to keep peace in the area under hot conditions, after throwing blood in front of the house.CPIML District Editor Apurba Paul said, "Those who create such conditions by making religious picketing rumors and propaganda, identify them immediately and take action immediately. Besides, the police administration is requesting to keep the situation under control. We are also applying the people so that they do not listen to rumors and are vigilant about this.Meanwhile, District BJP president Nirmal Dam said, "We are sitting in the meeting with the situation. There will be a decision on the next step in the party. However, the policy is to blame for such incidents. "Meanwhile, the government of West Bengal Government Golam Rabbani said," No one has the right to disagree. I told the administration to keep the situation under control. But some people caused such incidents to come to power. It has been ordered to take measures to identify those who are involved in such incidents. A lot of police were brought down to control the situation. It is to be noted that the tension spread between the two communities from the morning and the villagers of Raigonj Police Station and Chittakia area. Villagers complained, "Yesterday was the Idujjoh festival of Muslims. At night, the blood of any animal kept in front of a local temple. In front of some houses, blood can also be seen. On Sunday morning, there was a rift in the news. " Raiganj police station rushed to the spot after the huge police. The same situation is also in village Bamon of Raiganj. One injured in this incident, named Varman, was injured. A lot of police were brought down to control the situation. 



আমাদের ভারত ডেস্ক,৩সেপ্টেম্বরঃ দিনহাটার নাজিরহাটের মর্নেয়া এলাকায় শনিবার রাতের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার পর আজ সেখানে বিধায়ক উদয়ন গুহের নেতৃত্বে শান্তি মিছিল করল তৃণমূল কংগ্রেস । এই মিছিলে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ পা মেলান। সকলেই একস্বরে এলাকায় শান্তি রাখার ডাক দেন। এই শান্তি মিছিলের পর কিছুটা হলেও এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক হয়েছে। এদিকে এলাকায় যাতে ফের কোন অশান্তি না হয় তাঁর জন্য বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় মর্নেয়া বাজারের রাস্তার পাশে বেশ কিছু হাড় ও মাংস লক্ষ‍্য করেন এলাকার মানুষরা। এর পরেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেন এলাকাবাসিরা। পরে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ এসে মানুষকে বুঝিয়ে অবোরোধ তুলে নেয় । তখনকার মত পরিস্থিতি শান্ত হলেও , রাতের দিকে ওই এলাকায় বেশ কিছু বাড়িতে ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতিরা। এরপর পরিস্থিতি উতপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আরো পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। আজ সকালে এলাকায় যান বিধায়ক উদয়ন গুহ । তিনি যেকোনরকম উস্কানি থেকে দুই সম্প্রদায়ের মানুষকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেন এবং এলাকায় একটি শান্তি মিছিল বের করেন । এই মিছিলে পা মেলান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ। এলাকায় যে থমথমে ভাব ছিল তাও খানিকটা কেটে গেছে এই মিছিলের পর থেকে। এদিন উদয়ন গুহ বলেন কারা চক্রান্ত করে এলাকার শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে চাইছে তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। সমস্থ রকম উস্কানি থেকে দূরে থাকার জন্য তিনি এলাকার মানুষকে পরমার্শ দিয়েছেন। 

 

অন্যদিকে মন্দির,বাড়ির সামনে রক্ত ফেলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানাল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল বলেন,’যারা ধর্মীয় মেরুকরণ করে গুজব ও অপপ্রচার করে এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার আবেদন জানাচ্ছি। এছাড়াও মানুষ যাতে গুজবে কান না দেন এবং এব্যাপারে সতর্ক থাকেন তার আবেদন রাখছি।’
এদিকে জেলা বিজেপি সভাপতি নির্মল দাম বলেন,’পরিস্থিতি নিয়ে আমরা বৈঠকে বসছি। সেখানে দলীয় ভাবে পরবর্তী পদক্ষেপের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এই ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী তোষণ নীতি।’ এদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী বলেন,’পরবে গন্ডগোল করার অধিকার কারোর নেই। আমি প্রশাসনকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার নির্দেশ দিয়েছি। তবে ক্ষমতায় আসার জন্য কিছু মানুষ ওই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। যারা এই ধরনের ঘটনার সাথে যুক্ত তাদের চিহ্নিত করতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রচুর পুলিশ নামানো হয়েছে। উল্লেখ্য দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত বামন গ্রাম এবং ছিটকিয়া এলাকায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ,’গতকাল ছিল মুসলিমদের ইদুজ্জোহা উৎসব। রাতে কোন প্রাণীর রক্ত স্থানীয় একটি মন্দিরের সামনে রেখে দেয় দুষ্কৃতীরা। কিছু বাড়ির সামনেও দেখা যায় রক্ত। রবিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই এনিয়ে গন্ডগোল শুরু হয়।’ এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ। একই পরিস্থিতি রায়গঞ্জের বামন গ্রামেও। এই ঘটনায় নিরাপদ বর্মণ নামে একজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রচুর পুলিশ নামানো হয়েছে।

No comments