Header Ads

মুকুলের দীর্ঘ নিশ্বাসে তৃণমূল ছারখার হয়ে যাবে দাবি জয়ের

 “তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্বস্ত সৈনিকের মতো কাজ করে গেছেন। আর এখন তৃণমূল নেতারা তাঁকেই সাইড লাইনে বের করে দিয়েছেন।” মুকুল রায় প্রসঙ্গে একথাই বললেন বিজেপির রাজ্যনেতা। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে কুকসীমলা বাজারে এক জনসভায় যোগ দেন তিনি।
জয়বাবু বলেন, “মুকুলের দীর্ঘ নিশ্বাসে তৃণমূল ছারখার হয়ে যাবে। তিনি ব্রিগেডের মিটিংয়ে মাঠে নেমে জল বিস্কুট খেয়ে কর্মী-সমর্থকদের সুবিধা অসুবিধা দেখতেন। তাঁর সম্পর্কে যারা বলেন তাঁরা এসি ঘরে বসে পার্টি করে। মুকুল রায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে পার্টি করেন। মুকুল রায়ের চোখের জলে পঞ্চমীর দিন থেকে শুরু হল তৃণমূলের ভাঙন। দিদি ক্ষমতা থাকলে ঠেকান।”

পঞ্চমীতে একদিকে মা দুর্গার আগমন। অন্যদিকে তৃণমূলে বিষাদের সুর। মুকুল রায়কে বহিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গেই তৃণমূলের বিসর্জনের ঘন্টা বেজে গিয়েছে।  এদিন ওই সভায় জয় বন্দোপাধ্যায় ছাড়াও হাজির ছিলেন, বর্ধমান পূর্বের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ, ন্যাশেনাল কাউন্সিলের মেম্বার সুদীপ্তা রায় ও মন্ডল সভাপতি জনমেঞ্জয় মাহাত।
এদিন ওই জনসভায় মুকুল রায়ের বহিষ্কারের প্রসঙ্গ টেনে এনে জয় বন্দোপাধ্যায় বলেন, জন্মলগ্ন থেকে মুকুল রায় তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন। তৃণমূলের জন্যে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন। সারা বাংলা জুড়ে তিনি সংগঠন গড়ে তুলে ছিলেন। তিনি একমাত্র নেতা ছিলেন যিনি অন্যান্য কর্মীদের খোঁজ খবর রাখতেন। নেতা কর্মীরা ঠিকঠাক খেয়েছেন কিনা সবাই ঠিকঠাক আছেন কিনা। সব কিছুর খোঁজ রাখতেন। যিনি কিনা তৃণমূলের জন্যে তার সমস্ত কিছু দিয়ে দিলেন। তার তৃণমূল তাকেই সাইড লাইনে ঠেলে দিল। এই পাপ সহ্য হবেনা। পাপ কোনও দিন বাপকেও ছাড়েনা। মুকুল রায়ের দীর্ঘ নিঃশ্বাসে তৃণমূল ছারখার হয়ে যাবে।
এদিন ওই জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা বন্দোপাধ্যায়কে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্যনেতা তথা অভিনেতা জয় বন্দোপাধ্যায় বলেন, তিনি নাকি পশ্চিমবঙ্গকে লন্ডন করবেন। কিন্ত তিনি লন্ডন কিভাবে করবেন? পশ্চিমবঙ্গ তো চোর,  সিন্ডিকেটে ও তোলাবাজিতে ভরে গিয়েছে। এদিন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে জয় বন্দোপাধ্যায় বলেন,  একমাত্র বিজেপি দলেই কোনও দুর্নীতি নেই। তাদের গায়ে কোনও দূর্গন্ধও নেই। তাই আমার কোনও পুলিশ কিম্বা কোনও নিরাপত্তা রক্ষী লাগে না। কিন্ত তৃণমূল নেতাদের পুলিশ কিম্বা নিরাপত্তাও রক্ষীর প্রয়োজন হয়। কারণ, তাঁরা দুর্নীতিগ্রস্থ। তাদের পিছনে গন্ধ রয়েছে। এদিন জয় বন্দোপাধ্যায় ফের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, দিদি সরকারি কর্মীদের বলছেন ঘেউ ঘেউ করবেন না। এরপর থেকে তৃণমূলকে দেখলে মানুষ আর তৃণমূল জিন্দাবাদ বলবে না। বলবে তৃণমূল ঘেউ ঘেউ।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘেউ ঘেউ।

No comments