Header Ads

WB Minister Suvendu fought with Nandigram, claiming that the Maoist leader




Maoist leader Madhusudan Mandal has claimed that he fought together with West Bengal Minister Shuvendu Adhikar in Nandigram. In the land movement of Nandigram, his role in the fight against the CPI (M)'s armed forces in the face of today is still in the face. The Maoist leader Madhusudan Mondal alias Narayen alias Selim said in frankly, "I fought with Shuvendu on that day. Combination shoulders. "
She came to meet the old lady today in court with her. Talking to reporters at that stage, he said this about the state transport minister, Nandigram's deputy. In his words, for the movement of Nandigram, his whole family was involved in the movement with Shuvendubabu. And for this movement the Left Government gave him Maoist insignia.
The memory remembers his regret, if the movement was not there, the state would not change today. However, despite being a soldier in the movement, he is now running a Maoist command. This movement has changed the state. However, he wants to know how this change has come to the public.
The Maoist leader, who was freed on parole for a few hours from Alipura Central jail, was seen to see the sick mother. He was present at the house of the "G" of Haldia Durgakar, riding on a prisons van, under tight police guard. Where there is his old mother, brothers and relatives. The water streams were falling in the eyes of everyone. The crowd of relatives grew up. After spending some time with the family, Madhusudanbabu sang as well as singing.
The government of Buddhadeb Bhattacharya claimed that the Maoists had a direct role in the land movement of Nandigram in 2007. However, the current ruling has repeatedly demanded that the Maoists did not have any relationship with the grassroots movement. Now the confession of Maoist Madhusudan Mandal will be somewhat distorted by the Trinamool, which seems to be a part of the political spectrum.
One of the leaders of the first row of Nandigram land movement, who was reluctant to disclose the name, said that on January 3, 2007, police firing occurred at Bhooter Bar. Since that time, the Maoist leader was directly involved in the land movement of Nandigram. He was in Sonachura till 10th November 2007 at the Nandigram CPI (M) sunrise. Day after day, the CPI (M) armed forces stopped the fight. His contribution will be remembered by land activists throughout life.



নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একসঙ্গে লড়াই করেছিলেন বলে দাবি করলেন মাওবাদী নেতা মধুসূদন মণ্ডল। নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে CPI(M)-র সশস্ত্র বাহিনীকে সম্মুখ সমরে রুখে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা আজও সেখানে মুখে মুখে ঘোরে। সেই মাওবাদী নেতা মধুসূদন মণ্ডল ওরফে নারায়ণ ওরফে সেলিম আজ অকপটে জানিয়ে দিলেন, “সেদিন লড়েছিলাম শুভেন্দুর সঙ্গে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।”

আদালতের অনুমতিতে আজ বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তিনি। সেই ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক সম্পর্কে এই কথা বলেন তিনি।  তাঁর কথায়, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের জন্য তাঁদের গোটা পরিবার শুভেন্দুবাবুর সঙ্গেই আন্দোলনে সামিল হয়েছিল। আর এই আন্দোলনের জন্যই বাম সরকার তাঁকে মাওবাদী তকমা দিয়েছিল।

সেই স্মৃতি মনে করে তাঁর আক্ষেপ, ওই আন্দোলন না হলে রাজ্যে আজ পরিবর্তন হত না। কিন্তু, সেই আন্দোলেন একজন সৈনিক হওয়ার পরেও আজ তিনি মাওবাদী তকমা বয়ে বেড়াচ্ছেন। এই আন্দোলনের ফলে রাজ্যে পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু, এই পরিবর্তন সাধারণ মানুষের কি কাজে এসেছে তাও জানতে চান তিনি।

অসুস্থ মাকে দেখার জন্য আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্ত হয়েছিলেন এই মাওবাদী নেতা। কড়া পুলিশি প্রহরায় প্রিজ়ন ভ্যানে চড়ে তিনি হাজির হন হলদিয়ার দুর্গাচকের “G” ব্লকের বাড়িতে। যেখানে রয়েছেন তাঁর বৃদ্ধা মা, ভাই ও আত্মীয়রা। সকলের চোখে তখন ঝরে পড়ছিল জলের ধারা। উপচে পড়েছিল আত্মীয়দের ভিড়। কিছুটা সময় পরিবারের সঙ্গে বেশ খোশমেজাজে কাটানোর পাশাপাশি গান করেন মধুসূদনবাবু।

২০০৭ সালে নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে মাওবাদীদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল বলে আজও দাবি করে তৎকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকার। কিন্তু, বর্তমান শাসকদল তৃণমূল জমি আন্দোলনের সঙ্গে মাওবাদীদের কোনও সম্পর্ক ছিল না বলেই বারবার দাবি জানিয়েছে। এবার মাও নেতা মধুসূদন মণ্ডলের এই স্বীকারোক্তি কিছুটা হলেও তৃণমূলকে বিড়ম্বনায় ফেলবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের প্রথম সারির এক নেতা বলেন, ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি যেদিন ভূতার মোড়ে পুলিশের গুলিচালনার ঘটনা ঘটে। সেদিন থেকেই নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হয়েছিলেন এই মাওবাদী নেতা। ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে CPI(M)-এর সূর্যোদয় ঘটানোর সময় পর্যন্ত তিনি সোনাচূড়াতেই ছিলেন। দিনের পর দিন লড়াই করে CPI(M)-র সশস্ত্র বাহিনীকে রুখেছিলেন। তাঁর এই অবদান জমি আন্দোলনকারীরা সারাজীবন মনে রাখবে। 

No comments